মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

ভৌগলিক পরিচিতি

 

হাওড়-বাওড়, বিল-ঝিল বেষ্টিত বাঞ্ছারামপুর উপজেলাটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সর্ব শেষে অবস্থিত । যদি ও বাঞ্ছারামপুর উপজেলা  ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সর্বশেষ উপজেলা । দক্ষিণে মেঘনা নদী। ।  জেলা সদরের যোগাযোগের মাধ্যম সড়ক ও নদী পথ। অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই পশ্চাদগামী। বর্ষা মৌসুমে বিভিন্ন অঞ্চলে যাবার প্রধান মাধ্যম নৌ যোগাযোগ। এছাড়া আভ্যন্তরীণ যোগাযোগের মাধ্যম সড়ক ও নৌপথ।  উপজেলার অনেক জায়গাতে আজও পায়ে হেঁটে যাতায়াত করতে হয়। বিশেষ করে শীতকালসহ শুকনা মৌসুমে এ উপজেলার অনেক অঞ্চলের যোগাযোগো মাধ্যম একমাত্র পায়ের পথ।  তবে যোগাযোগ ব্যবস্থার দ্রুত উন্নতিকরণে  এ অঞ্চলের নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ, জনগণও প্রশাসন সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন।    এ উপজেলার প্রায় ৬৫% লোক কৃষিজীবি, ১০% লোক মৎস্যজীবি এবং বিভিন্ন পেশায় জড়িয়ে আছেন বাকী সকল। বিশেষ করে এ অঞ্চলে প্রবাসীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য।  উপজেলার প্রধান ফসল ধান, গম, পাট, সরিষা,আলু ও নানা রকম শাকসব্জি। এ অঞ্চলে নানা জাতের মিঠা পানির মাছ পাওয়া যায়। উপজেলার লোকজন নদী,পুকুর ও নলকূপের পানি গৃহস্থালীর কাজে ব্যবহার করেন। উপজেলার আর্সেনিক আক্রান্ত নলকূপের সংখ্যা প্রায় ২০%। এ উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে সেনিটেশন কভারেজ গড়ে ৮৫%। শিক্ষার হার ৩৫.৪৯%। প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেক ছেলে মেয়ে  শিক্ষার আলো হতে বঞ্চিত। উপজেলাটি হাওড় বেষ্টিত হওয়ায় সারাবছর কাজ করার সুযোগ থাকে না। কেবল রবি ও ইরি মৌসুমে কাজের সুযোগ থাকে। তাছাড়া এ উপজেলার বেশীর ভাগ জমি এক ফসলি, অধিকাংশ মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা ভাল নয়। দারিদ্র সীমার নিচে বাস করেন অনেক মানুষ। তবে  এখানকার মানুষ খুবই পরিশ্রমী ও কর্মঠ। কাজের প্রতি তাদেরও যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে। কর্ম সংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হলে এ উপজেলার মানুষের জীবন যাত্রার চাকা ঘুরানো সম্ভব।

উত্তরে নরসিংদি জেলার সদর ও রায়পুরা উপজেলা,দক্ষিনে হোমনা-কুমিল্লা,পশিচমে আড়াইহাজার-নারায়নগঞ্জ,পূর্বে মুরাদ নগর-কুমিল্লা ও নবীনগর-ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

ছবি